গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাত্রা করা ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’ জাহাজগুলো আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশ ইসরায়েলের পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
ফ্লোটিলায় থাকা আন্তর্জাতিক কর্মী, মানবাধিকার সংগঠক এবং শান্তিকর্মীদের লক্ষ্য ছিল অবরুদ্ধ গাজায় খাদ্য, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দেওয়া। তবে ভূমধ্যসাগরে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রমের পরপরই ইসরায়েলি নৌবাহিনী অভিযান চালায়।
আমরা এখন পর্যন্ত যা জানি
ইসরায়েলি সেনারা জাহাজে উঠে গ্রেটা থানবার্গসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট কর্মীকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তেলআবিবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে ফ্লোটিলার আয়োজকরা বলছেন, এ পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিশ্ব কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে
এ ঘটনায় ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ হয়েছে। লন্ডন, প্যারিস, বার্লিন, নিউইয়র্ক ও ইস্তাম্বুলে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদও ঘটনাটির ব্যাখ্যা দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ
মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক জলসীমায় গিয়ে এই অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন ভঙ্গ করেছে। তাদের মতে, এটি মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার স্পষ্ট উদাহরণ।
পরবর্তী পদক্ষেপ
ফ্লোটিলা আটকানোর ঘটনায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপ বাড়ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে আটক কর্মীদের মুক্তি এবং গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর নিশ্চয়তা দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।





