মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, গাজা থেকে প্রথম ধাপে সেনা প্রত্যাহারে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। শনিবার (৪ অক্টোবর) সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। হামাস চুক্তিটি নিশ্চিত করার পরই যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান ট্রাম্প। খবর নিউইয়র্ক পোস্টের।
ট্রাম্প লিখেছেন, “যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর ইসরায়েল প্রাথমিক সেনা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে। আমরা সেই পরিকল্পনা হামাসের সঙ্গে ভাগ করেছি।” তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া “দীর্ঘদিনের বিপর্যয়” শেষ করার পথ তৈরি করবে।
যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত সোমবার হোয়াইট হাউস একটি মানচিত্র প্রকাশ করে, যেখানে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সম্ভাব্য সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়। ট্রাম্প জানান, ওই সীমারেখার মধ্যেই প্রথম ধাপের সেনা প্রত্যাহারে ইসরায়েল সম্মতি দিয়েছে।
এদিকে, ট্রাম্পের দেওয়া ২০ দফা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের কিছু অংশ মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে হামাস। সংগঠনটির এ পদক্ষেপের পর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধে নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বিবিসি ভেরিফাইয়ের হিসাবে, হোয়াইট হাউসের মানচিত্র অনুযায়ী প্রথম ধাপের প্রত্যাহারের পরও গাজার প্রায় ৫৫ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শনিবার রাতে জানান, জিম্মি মুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করতে স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী রন ডার্মারের নেতৃত্বে তাঁর প্রতিনিধিদলকে মিশর সফরের নির্দেশ দিয়েছেন।
নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের লক্ষ্য আলোচনাকে কয়েক দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা। আমরা সময়ক্ষেপণ মেনে নেব না।”





