পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার মোক্তার হোসেন ডিবির হেফাজতে মারা গেছেন। শুক্রবার সকালে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে পল্লবী থেকে মোক্তার হোসেন ও তার বড় ছেলেকে তুলে নেয় ডিবি। তারা দাবি করেন, মোক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত না হলেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। পরিবারের প্রশ্ন, অপরাধী হলে আইন অনুযায়ী বিচার হতো, কিন্তু হেফাজতে মৃত্যুর ব্যাখ্যা কী?


অন্যদিকে, গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, 'কিবরিয়া হত্যা মামলায় আগে গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনের তথ্যে মোক্তারকে আটক করা হয়। ডিএমপির দাবি, তাকে আটক করার সময় স্থানীয় লোকজন মারধর করায় তিনি আহত হন। পরে রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসার পর আবার ডিবি অফিসে ফিরিয়ে আনা হয়।' শুক্রবার সকালে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেলে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।


গত সোমবার মিরপুরে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। নিহতের স্ত্রী পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলাটি পরে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।