ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরের পাহালগামে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের সবাই ছিলেন পর্যটক। এদের পাশাপাশি নিহত হয়েছেন স্থানীয় এক মুসলিম যুবক, যিনি পেশায় ঘোড়ার গাড়ি চালক ছিলেন এবং পর্যটকদের সেবা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বৈসারান তৃণভূমিতে এ মর্মান্তিক হামলার ঘটনা ঘটে।
\r\nহামলার পরপরই ঘটনাস্থলে কঠোর নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে এবং সেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশে কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির সাংবাদিক যোগিতা লিমায়ে জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করলেও নিরাপত্তা বাহিনীর বাধার মুখে পড়েন। বর্তমানে তিনি পাহালগাম থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছেন।
\r\nযোগিতা লিমায়ে আরও জানান, নিরাপত্তা বেষ্টনির ভেতরে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় তিনি এবং তার টিম ঘটনাস্থল সংলগ্ন হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজ নিতে পারেননি। তবে হামলার পরের রাতেই কিছু সাংবাদিক ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হন বলে জানা গেছে।
\r\nবিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাশ্মির বরাবরই একটি সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। সেখানে সাংবাদিকতার পথ আগে থেকেই কঠিন ছিল। তবে ২০১৯ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মিরের বিশেষ স্বায়ত্বশাসন বাতিল করার পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। বর্তমানে কাশ্মিরে স্বাধীন সাংবাদিকতা কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে।
\r\nএ ঘটনায় পাহালগামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, এবং স্থানীয়রা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। হামলার উদ্দেশ্য বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত—তা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।





