খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠান রীতিমতো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মূল ভ্যেনুতে পৌঁছাতে না পেরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় লাইন বেঁধে দাঁড়ান। ফলে জানাজার লাইন বিস্তৃত হয় কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণি, ধানমন্ডি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত।
জাতীয় সংসদ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও এর আশপাশের পুরো এলাকা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। বেলা পৌনে ১২টায় গুলশান থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়িবহর সংসদ ভবনে পৌঁছায়।
জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন দেশের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা, বিএনপির নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ।
জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকা কঠোর নিরাপত্তা চাদরে আবৃত হয়। পুরো এলাকা কয়েকটি নিরাপত্তা জোনে ভাগ করা হয়।
জানাজার পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলের পাশে সমাহিত করা হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে সরকার বুধবার একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে এবং দেশে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।





