রাজধানীর কারওয়ান বাজারে একাধিক দাবিতে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। পরে জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিপেটা করে পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে তারা সড়ক অবরোধ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালায়।
এর আগে শনিবার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তিসহ কয়েক দফা দাবিতে রোববার পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। একই সঙ্গে সংগঠনটি অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেয়।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যবসায়ীরা কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড়ে অবস্থান নেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।
পরে দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ আবার সড়কে বসে পড়লে পুলিশ প্রথমে জলকামান ব্যবহার করে। এরপর সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিপেটার মাধ্যমে তাদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। এ সময় কয়েকজনকে আটকও করা হয়।
তেজগাঁও থানার পুলিশ জানায়, সড়ক অবরোধের চেষ্টা করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক ব্যবসায়ী বলেন, তারা এনইআইআরের বিপক্ষে নন, তবে এই ব্যবস্থায় কিছু সংস্কার প্রয়োজন। বারবার দাবি জানানো হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি বলেই সড়কে নামতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, অবৈধ ও অননুমোদিত মোবাইল ফোন ব্যবহারে লাগাম টানতে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত করা হচ্ছে। শুরু থেকেই এই ব্যবস্থা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।





