ঢাকা, ১৫ মে ২০২৫ – জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা আবাসন, বৃত্তি এবং প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট অনুমোদনসহ তিন দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার রাতে কাকরাইলে রাস্তা অবরোধ করে তারা এই ঘোষণা দেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কাকরাইল মোড়ে অন্তত অর্ধশত আন্দোলনকারীকে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

\r\n

শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন:

আবাসন ব্যবস্থা: বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

বৃত্তি: ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি কার্যকর করতে হবে।

বাজেট অনুমোদন: বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করেই অনুমোদন করতে হবে।

\r\n

এর আগে, বুধবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার উদ্দেশে জবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের লংমার্চ কর্মসূচিতে বাধা দেয় পুলিশ। কাকরাইল মসজিদ এলাকায় লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, পুলিশসহ শতাধিক আহত হন। আহতদের মধ্যে অন্তত ৩৮ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

\r\n

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, \"শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনে পুলিশ অমানবিক আচরণ করেছে। এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।\"

\r\n

জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, \"সরকারের এ কর্মকাণ্ডে আমরা মর্মাহত। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। শতাধিক শিক্ষার্থী আহত।\"

\r\n

শিক্ষার্থীদের পক্ষে জবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, \"যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, সেই দায় সরকারকে নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর রক্তচক্ষু দিয়ে তাকাবেন না।\"

\r\n

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

\r\n


\r\n
    \r\n
  • \r\n

    আন্দোলনে আহতরা: আন্দোলনে আহতদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন লিমন, ঢাকা ট্রিবিউনের জবি প্রতিনিধি সোহান ফরাজি, দৈনিক সংবাদের জবি প্রতিনিধি মেহেদী এবং বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

    \r\n
  • \r\n
  • \r\n

    আন্দোলনের স্থায়িত্ব: আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা কাকরাইল মোড়ে অবস্থান করবেন।