নাটোরের লালপুরে আলুর দাম পড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। সংরক্ষণ করতে না পারায় মাইকিং করে সস্তায় আলু বিক্রি করছেন তারা। প্রতি ৫০ কেজির এক বস্তা আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। তবে খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় অনেকেই এসব আলু ব্যবহার করছেন গো-খাদ্য হিসেবে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে লালপুর উপজেলা মোড়ে গাড়ি ভরে আলু এনে মাইকিং করে বিক্রি করতে দেখা যায় ওয়ালিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী ফজলুর রহমানকে। তিনি জানান, রাজশাহীর নওহাটা থেকে আলু সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু বাজারে দাম কম, সংরক্ষণের সুযোগ নেই, উপরন্তু নষ্ট হতে শুরু করায় বাধ্য হয়েই কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবুও ক্রেতা মিলছে না।
বৈদ্যনাথপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম এক বস্তা আলু কিনে বলেন, “দামে সস্তা, তাই নিয়েছি। নিজে খাবো, আবার গরুকেও খাওয়াবো।”
একই অভিযোগ করেছেন ক্রেতা কাইয়ুম আলী। তিনি জানান, কিছুদিন আগে তিনিও আলু কিনেছিলেন, কিন্তু বেশিরভাগই খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে তা এখন গরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করতে হচ্ছে।
লালপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মেহেদি জাহান বলেন, “কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু বের করার পর বৈরি আবহাওয়ার কারণে দ্রুত পচন ধরেছে। তাই যত দ্রুত বিক্রি করা যাবে, ব্যবসায়ীদের জন্য ততই মঙ্গল।”





