মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ–৪’-এর অংশ হিসেবে খাইবার, ফাত্তাহ ও খোররামশাহর–৪ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মধ্য ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের সপ্তম দিন শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে ‘ইয়া হোসেন ইবনে আলী (আ.)’ কোডনামে অভিযানের ২২তম ধাপ শুরু হয়। এতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।
আইআরজিসির দাবি, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা এবং ইসরাইলের তেল আবিব, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর ও হাইফার সামরিক কেন্দ্রসহ কয়েকটি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে ছিল অতি ভারী খোররামশাহর–৪। এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় দুই টন ওজনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এবং এর গতি ১৪ ম্যাকের বেশি বলে দাবি করেছে ইরান।
একজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ইরান মূলত পুরোনো মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য আরও উন্নত ও নতুন প্রজন্মের অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি থেকে ধারাবাহিকভাবে সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, যা ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমে গেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছিল তা ভুল প্রমাণ করেছে।
তবে ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা ও প্রেস টিভি।





