গত শুক্রবার (১৩ জুন) ইসরায়েল প্রথম বড় ধরনের বিমান হামলা চালানোর পর থেকেই ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে। এই সংঘাতের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে যে, দুই দেশেই শত শত প্রাণহানি, হাজারো আহত এবং ব্যাপক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।
\r\nইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর জানিয়েছে, ইরান ইতোমধ্যে ৪০০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পাশাপাশি, শত শত ড্রোন ছোড়া হয়েছে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরের দিকে।
\r\nতেল আবিবের আকাশে বুধবার (১৮ জুন) ভোরে ইসরায়েলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই প্রতিহত করে।
\r\nএদিকে ইসরায়েলের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে এই হামলার পরিকল্পনা ফেব্রুয়ারিতেই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়ে দেন নেতানিয়াহু।
\r\nবিশ্ব নেতারা শান্তির আহ্বান জানালেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে পারেনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত আসেনি।
\r\nপর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ভয়াবহ যুদ্ধের রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বিশ্বব্যাপী।





