ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
কুটি ইউনিয়নের মাইজখার গ্রামের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর আয়োজনে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় হাজী মো. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আতাউর রহমান সরকার বলেন, “এই নির্বাচন আমাদের ভাগ্য ও শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাবে। জনগণ এবার সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করবে।”
তিনি বলেন, দেশের মানচিত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে এবং ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বেই এই দেশের পতাকা নিরাপদ থাকবে।
আতাউর রহমান সরকার আরও বলেন, “সরকারি সকল অনুদানের হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে। এক বিন্দু পরিমাণ দুর্নীতিও আমরা করতে দেব না, নিজেরাও করব না।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা ক্ষমতায় এলে দেশকে একটি উন্নত, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।”
গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, তারা জনগণ ও রাষ্ট্রের ভাগ্য পরিবর্তনের বদলে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। জনগণ এবার পরিবর্তন চায়, আর সেই পরিবর্তন ইনশাআল্লাহ জামায়াতের হাত ধরেই আসবে।”
নারী অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সকল নাগরিক সমান অধিকার পাবে। কেউ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। নারীদের ক্ষেত্রে জামায়াতই সবচেয়ে নিরাপদ রাজনৈতিক শক্তি। কেউ দেখাতে পারবে না জামায়াতের দ্বারা নারীরা কখনো অসম্মানিত হয়েছে। আমরা নারীদের সর্বোচ্চ সম্মানের চোখে দেখি।”
এসময় তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের কর্মীরাই প্রতিনিয়ত জামায়াতের নারী কর্মী ও মা-বোনদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালাচ্ছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের মজলিসে শূরা সদস্য খন্দকার কবির আহমেদ, অধ্যক্ষ আব্দুল মোনায়েম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শরিফ সরকার সাদ্দাম, ইসলামী ছাত্রশিবির জেলা প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল আরিফ, এনসিপি নেতা এম এ বাতেন শরীফসহ ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ ভোটাররা।





