ইরানে চলমান দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে কমপক্ষে ৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ৫০০ জন নিরাপত্তা কর্মী। এই তথ্য রোববার (১৮ জানুয়ারি) একজন ইরানি কর্মকর্তার বরাতে নিশ্চিত করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।


\r\n

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘নিরপরাধ ইরানিদের হত্যার জন্য দায়ী সন্ত্রাসী এবং সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, উত্তর-পশ্চিম ইরানের কুর্দিশ এলাকায় সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ এবং মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই অঞ্চলে কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয় এবং অতীতে সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ঘটিয়েছে।


\r\n

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আশাজনক নয়। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল ও বিদেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী রাস্তায় নেমে আসা বিক্ষোভকারীদের ওপর সহায়তা করেছে।


\r\n

ইরানি কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতার জন্য বিদেশী শত্রুদের, বিশেষ করে ইসরায়েলকে দায়ী করেছে। সূত্রে বলা হয়েছে, জুন মাসে ইরানের ওপর সামরিক হামলা শুরু করেছে এই দেশ।


\r\n

এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার গোষ্ঠী এইচআরএএনএ জানিয়েছে, বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩০৮ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া আরও ৪ হাজার ৩৮২ জনের মৃত্যু সংক্রান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। সংগঠনটি ২৪ হাজারের বেশি গ্রেপ্তারের বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে।

\r\n

নরওয়েতে অবস্থিত ইরানি কুর্দি অধিকার গোষ্ঠী হেনগাও জানিয়েছে, ডিসেম্বরের শেষের দিকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে উত্তর-পশ্চিমের কুর্দি এলাকায়। সূত্র: রয়টার্স