লিবিয়ার সাবেক নেতা কর্নেল মুয়াম্মার আল গাদ্দাফির কন্যা আইশা গাদ্দাফি, যিনি বর্তমানে ওমানে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন, সম্প্রতি ইরানের জনগণের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে পশ্চিমা শক্তির প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

আইশা গাদ্দাফি বলেন, তার পিতা কর্নেল গাদ্দাফিকে পশ্চিমা দেশগুলো বলেছিল, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করলে “বিশ্বের দরজা খুলে যাবে।” কিন্তু সৎ উদ্দেশ্য ও সংলাপের ওপর আস্থা রেখে পিতা যখন ছাড় দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছিলেন, তখন শেষ পর্যন্ত ন্যাটোর বোমাবর্ষণে লিবিয়া ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের জনগণ তখন দারিদ্র্য, নির্বাসন ও ধ্বংসের মধ্যে বন্দি হয়ে পড়েছিল।

আইশা গাদ্দাফি সতর্ক করেছেন, “শত্রুর কাছে ছাড় দিলে ধ্বংস, বিভাজন ও দুর্ভোগ ছাড়া কিছু আসে না। নেকড়ের সঙ্গে আলোচনা করলে স্থায়ী শান্তি আসে না—কেবল পরবর্তী খাবারের তারিখ নির্ধারণ হয়।” তিনি ইতিহাসের উদাহরণ হিসেবে কিউবা, ভেনেজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া ও ফিলিস্তিনের প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন, যারা দৃঢ়তার কারণে সম্মানের সঙ্গে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।

তিনি ইরানের জনগণকে ও প্রতিরোধকে সালাম জানান এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে বৈশ্বিক সংহতির আহ্বান জানিয়েছেন।

 আইশা গাদ্দাফি বলেন “হে দৃঢ়চেতা ও স্বাধীনতাপ্রেমী ইরানের জনগণ, সতর্ক থাকুন এবং পশ্চিমাদের প্রতারণামূলক স্লোগানে বিশ্বাস করবেন না।”