ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী দেশটির ভেতরে তিন তলাবিশিষ্ট একটি ইসরায়েলি ড্রোন কারখানার অবস্থান শনাক্ত করেছে বলে জানিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বিষয়টি রোববার (১৫ জুন) রাতে একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি

\r\n

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের অভ্যন্তরে এমন আরও কয়েকটি গোপন স্থাপনার অস্তিত্ব রয়েছে বলে ধারণা করছে তেহরান, এবং সেসব স্থাপনার বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হচ্ছে।

\r\n

এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এসব ড্রোন ইরানে তৈরি নয়; বরং চোরাই পথে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হয়। কারখানাগুলো সম্ভবত এসব ড্রোন সংরক্ষণ ও পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

\r\n

এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির কয়েকজন শীর্ষ সামরিক জেনারেল ও পারমাণবিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করে। ওই হামলার জবাবে ইরান একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা আঘাত হানে।

\r\n

অন্যদিকে টাইমস অব ইসরায়েল–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ইরানে প্রথম দিককার হামলার সময় ইসরায়েল কোয়াডকপ্টার ড্রোন, রকেট ও অন্যান্য অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে। এসব অস্ত্র ও প্রযুক্তি হামলার আগে থেকেই ইরানের ভেতরে গোপনে সরবরাহ ও মোতায়েন করা হয়েছিল, যাতে করে ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানী, সামরিক ঘাঁটি, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ভূমি থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় নিখুঁতভাবে আঘাত হানা যায়।

\r\n

এই খবরগুলো মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার জটিলতা ও গভীরতা আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।