ইরান ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের ফলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র মজুত দ্রুত কমে আসছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রমাগত হামলা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত সংকটে পড়েছে পেন্টাগন।

একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টর মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, অভিযানের প্রথম ধাপে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কারখানা, ড্রোন কেন্দ্র এবং নৌ সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, অভিযানে ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির ৪৯ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন, যদিও এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

এদিকে, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের পাল্টা অভিযানে শত শত মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাত আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।