মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর দেশের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র সেনা মোতায়েন করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের একটি গার্লস স্কুলে ভয়াবহ হামলার জন্য সরাসরি ইরানকেই দায়ী করেছেন। তবে সামরিক তদন্তে ওই হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীকেই সম্ভাব্য দায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। খবরটি এসেছে দ্য টেলিগ্রাফ থেকে।


এয়ার ফোর্স ওয়ানে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “যদি আমরা কখনও স্থলবাহিনী পাঠাই, তবে তাদের এতটাই দুর্বল হতে হবে যে তারা লড়াই করার অবস্থায় থাকবে না। এর জন্য খুব ভালো কারণ থাকতে হবে।” অন্য এক প্রশ্নে তিনি বলেন, “সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সুরক্ষায় স্থলবাহিনী পাঠানো হতে পারে কি না, তা পরে দেখা হবে। এ বিষয়ে আমরা এখনও আলোচনা করি নি। এখন আমরা কেবল তাদের খুব দুর্বল করে দিচ্ছি।”


সংঘাতের শুরুর দিকে ইরানের একটি স্কুলে হামলায় অন্তত ১৬৮ শিশু এবং ১৪ শিক্ষক নিহত হওয়ার ঘটনায় ট্রাম্প বলেছেন, “যা আমি দেখেছি, তার ভিত্তিতে এটা ইরানই করেছে।” মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও একই মন্তব্য পুনরাবৃত্তি করেছেন এবং বলেছেন, “বেসামরিক লোকজনকে লক্ষ্যবস্তু বানায় একমাত্র ইরান।”


তবে সামরিক তদন্তে বলা হয়েছে, স্কুলে হামলার জন্য সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী দায়ী। যদি এটি প্রমাণিত হয়, তবে এটি মধ্যপ্রাচ্যে গত তিন দশকের মার্কিন যুদ্ধের মধ্যে বেসামরিক হতাহতের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনায় একটি হিসেবে বিবেচিত হবে।