ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মিত্রদেশগুলোর ঘাঁটি ব্যবহার করে ওয়াশিংটন ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর জবাবে Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।


\r\n

এদিকে ইরানের মিত্র Hezbollah ইসরায়েলে হামলা চালালে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় Israel Defense Forces (আইডিএফ) লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ছয় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।


\r\n

এই পরিস্থিতিতে Qatar লেবাননে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং ঘটনাটিকে গভীর উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে।


\r\n

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে Ministry of Foreign Affairs (Qatar) দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার কঠোর সমালোচনা করে। বিবৃতিতে এসব হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করা হয়।


\r\n

এতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, তারা যেন ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে লেবাননের ওপর চলমান হামলা বন্ধ করতে এবং আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে বাধ্য করে।


\r\n

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, Lebanon–এর ‘ঐক্য, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা’ রক্ষার প্রশ্নে কাতারের সমর্থন অটুট। একই সঙ্গে দেশটির স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নেওয়া সব উদ্যোগের প্রতিও দোহা পূর্ণ সমর্থন জানায়।


\r\n

অন্যদিকে গত সোমবার থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৮৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যাদের মধ্যে ৯৮ জন শিশু রয়েছে। এসব হামলার কারণে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।