ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিলভার জুবিলি ও প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নেন।

দুই দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে মিলনায়তন ও ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ ভবনে ফটোসেশন, আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দ্বিতীয় দিনে সকাল ১১টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে মিলনায়তনে পরিচিতি পর্ব, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বাবলী সাবিনা আজহার।

রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল হক এবং আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “যারা এই বিভাগে প্রথম ব্যাচে ভর্তি হয়েছিলেন, তাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটানো সময় এখন স্বপ্নের মতো মনে হয়। আপনারা এখানে এসেছেন, আপনাদের পরিবার এসেছে—তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আজ বক্তৃতার দিন নয়, আজ পুনর্মিলনের দিন। এই পুনর্মিলনীই আসলে সবচেয়ে বড় বিষয়। আপনারা পুরনো স্মৃতিগুলো ফিরে দেখবেন, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করবেন, নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিচিত হবেন—এই আনন্দঘন দিনটাই আপনাদের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান।”

তিনি আরও বলেন, “বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং আধুনিক বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই বিভাগে যারা পড়ছে, তারা পেশাগত জীবনে সারা পৃথিবীতে কাজ করার অবারিত সুযোগ পায়। এই বিষয়ে গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।”

দুই দিনব্যাপী আয়োজনে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।