গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন কয়েকটি খবর যা যুক্তরাষ্ট্রের USCIRF রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করে যে জামায়াতে ইসলামী ‘বহুত্ববাদ’ শব্দের পরিবর্তে ‘বহুসংস্কৃতিবাদ’ শব্দ ব্যবহারের পক্ষে মত দিয়েছে—সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে জানালো জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।
দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের শনিবার (২৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে বলেন, ইউএসসিআইআরএফের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশ্লেষক সীমা হাসান কর্তৃক লেখা রিপোর্টে জামায়াতে ইসলামীকে এ রকম কোনো বক্তব্যে যুক্ত করা একেবারেই ভুল। দেশের জাতীয় দৈনিকগুলোতে যেসব তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তা “সত্যের লেশমাত্রও নেই” এবং এতে বিভ্রাট সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জামায়াত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধানে 'আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস' ও 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' পুনঃসংযোজন দাবি করেছে, যার সংবাদ ২৬ জুন তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল। এটিও সম্প্রতি ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহা. তাহের, যারা ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে জামায়াতের পক্ষে ছিল, সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন যে সিপিবি ও দুই-একটি বাম দল ছাড়া অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই জামায়াতের এই প্রস্তাবে একমত। এতে স্পষ্টভাবে 'বহুসংস্কৃতিবাদ' শব্দ ব্যবহারের কোনো মানে নেই।
অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের তার বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের USCIRF’র দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান, এই ভুল তথ্য দ্রুত সংশোধন করে বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।





