গাজীপুরের শ্রীপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ ছাত্রদলের সাবেক নেতা এনামুল হক মোল্লা (৪৮) ও তার ছয় সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৫ নভেম্বর) গভীর রাতে শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরকুল গ্রামে এনামুলের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ছয়জন সহযোগীকেও হেফাজতে নেয় যৌথবাহিনী।
অভিযানে একটি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলি, চারটি ওয়াকিটকি, চারটি বেটন, দুটি ইলেকট্রিক শক মেশিন এবং একটি হ্যামার নেল গান উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— এনামুল হক মোল্লা (৪৮), শওকত মীর, জাহিদ, মোস্তফা, সিদ্দিক, বুলবুল ও তোফাজ্জল। বৃহস্পতিবার ভোরে তাদের শ্রীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এনামুল হক মোল্লা নিজেকে “মক্কা মিসফালাহ সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি” পরিচয়ে গাজীপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে এলাকায় পোস্টার, মিছিল ও সভা-সমাবেশের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জুনায়েদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী এনামুলের বাড়িতে অভিযান চালায়। পরে তার দেওয়া তথ্যে বরমী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আরও কয়েকজন সহযোগীকে আটক করা হয়।
গাজীপুর-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, “এনামুল হক মোল্লা চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য ২০০১ সালে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে সে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।”





