বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের করা অসম চুক্তি পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ থমকে গেছে। বর্তমান সরকারের নেওয়া এ উদ্যোগ ব্যর্থ করার জন্য অদৃশ্য শক্তির কারসাজি জোরেশোরে কাজ করছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হাত করে চুক্তিটি বহাল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনও অভিযোগ পাওয়া গেছে, চুক্তিটি বহাল রাখতে বিপুল অঙ্কের ঘুস লেনদেন হচ্ছে।
এ সম্পর্কে হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেওয়া অনুসন্ধান কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও অনশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে বাংলাদেশের জন্য আত্মঘাতী আদানি গ্রুপের এ চুক্তি আদৌ বাতিল হবে কি না, সে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যোগসাজশে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে ২৫ বছর মেয়াদি বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি সম্পাদন করেন। চুক্তিটি ছিল পুরোপুরি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। চুক্তিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ও আমদানি করা কয়লার দাম অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হয়। তাছাড়া বিদ্যুৎ চুক্তিটিও করা হয় ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে। ওই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সাবেক মন্ত্রী-সচিবসহ অন্যরা। শেখ হাসিনার সাবেক মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস একাই বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে দেড়শ কোটি টাকার বেশি অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন বলে দুদকে অভিযোগ রয়েছে। আত্মঘাতী এ চুক্তির ফলে আগামী ২৫ বছরে ভারতের আদানি গ্রুপকে বাংলাদেশের প্রায় ২৩ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে। চুক্তিটি বহাল থাকায় প্রতি মাসে সরকারকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করে আদানির বিদ্যুৎ আনতে হচ্ছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে হাইকোর্ট বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে সব চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করতে উচ্চপর্যায়ের অনুসন্ধান কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। নির্দেশে হাইকোর্ট বলেছিল, অনুসন্ধান কমিটিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও আইন বিশেষজ্ঞ রাখতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে এক মাসের মধ্যে কমিটি গঠন করে পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ নিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে অসম চুক্তি বাতিল করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছিল হাইকোর্ট। আদালত আরো নির্দেশ দিয়েছিলÑভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে চুক্তির সময় যে দরকষাকষি হয়েছিল, তার নথিপত্র এক মাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে। এর পরে দীর্ঘ সাত মাস পার হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাইকোর্টের নির্দেশনার আলোকে এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরামর্শে বিদ্যুৎ বিভাগ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে। বিাগ কমিটি হাইকোর্টে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিবেদনও দাখিল হয়। কিন্তু এরপরই দৃশ্যত থমকে যায় এ বিষয়ে সরকারের সব কর্মকাণ্ড। চুক্তি নিয়ে আর কোনো অগ্রগতি নেই। হাইকোর্টেও তৎপরতা নেই।
এ সম্পর্কে রিটকারী আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ুম জানান, আমি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চসহ একাধিক বেঞ্চে বিষয়টির শুনানির জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো বেঞ্চই বিষয়টি শুনতে আগের মতো আগ্রহ দেখায়নি। ফলে আমি ভীষণ হতাশ ও বিমর্ষ।
আদানির বিদ্যুৎ কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত শেখ হাসিনা
আদানি গ্রুপসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে এস আলম ও সামিট গ্রুপের সঙ্গে বিতাড়িত হাসিনা সরকারের সব চুক্তি সম্পাদনে ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল। এতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্ত্রী, সচিব ও অন্য নির্বাহীরা বিভিন্ন অভিনব পন্থায় বিদেশে বিভিন্ন ব্যাংক এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। পতিত শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে আদানি চুক্তির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।
তার মুখ্য সচিব কায়কাউস একাই বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির মাধ্যমে দেড়শ কোটি টাকার বেশি অর্থ বিদেশে পাচার করেন। জানা গেছে, তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। সরকার যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের কাছে তার বিষয়টি উত্থাপন করেছে কি না, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা জানাতে পারেনি। তবে তিনি যে চুক্তিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সরাসরি অর্থ গ্রহণ করেছেন, তার কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা গেছে, আদানি গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ ও সামিট গ্রুপ নিজেদের মধ্যে যোগসাজশ করে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নেয় এবং এ দুর্নীতি পরিকল্পনায় সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে অবস্থানকারী আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক দালালচক্রের সহায়তা গ্রহণ করে।
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার আদানি গ্রুপের আত্মঘাতী বিদ্যুৎ চুক্তি বাতিলে অতিসত্বর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তা ড. ইউনূস সরকারের জন্য একটি বিশাল ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।
চুক্তির ফলে যে ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ
১৫৮ পৃষ্ঠার চুক্তি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় করা আত্মঘাতী চুক্তির কারণে ভারতের আদানি পাওয়ার বাংলাদেশ থেকে লুটে নেবে প্রায় চার লাখ কোটি টাকা। এ টাকা বিদ্যুতের দামের বাইরে। এরমধ্যে শুধু ক্যাপাসিটি চার্জ খাতেই বাংলাদেশকে গুনতে হবে সোয়া দুই লাখ কোটি টাকা। বাকি প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকা আদানিকে দিতে হবে কয়লার বাড়তি দাম হিসেবে। ডলারের দাম বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে এ লুটের অঙ্ক আরো বাড়তে পারে। উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কেনার জেরে পতিত আওয়ামী শাসনে গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় ১৮৮ শতাংশ। উচ্চমূল্যের বিদ্যুতে বেড়েছে উৎপাদন খরচ ও পণ্যমূল্য। পকেট কাটা হচ্ছে ভোক্তাদের। অপরদিকে খালি করে ফেলা হয়েছে রাষ্ট্রীয় কোষাগার।
বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আদানির সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১৫৮ পৃষ্ঠার চুক্তিনামার প্যারায় প্যারায় বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেওয়া হয়েছে। দেড় হাজার মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অবস্থান ভারতের ঝাড়খণ্ডে। এতে বাংলাদেশের কোনো নিয়ন্ত্রণ বা তদারক নেই। যদিও সেটির যাবতীয় দায় বাংলাদেশের আর সব সুবিধা ও মুনাফা যাচ্ছে এককভাবে ভারতের আদানি গ্রুপের পেটে।
তবে একটি জিনিস স্পষ্ট হয়েছে, আদানির সঙ্গে হাইকোর্টের বর্ণিত অসম চুক্তিটি এখনো বাতিল করা হয়নি। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই অসম চুক্তিজনিত রক্তক্ষরণ হয়েই চলেছে। ভর্তুকি বাদ দিলে বাংলাদেশে বিদ্যুতের গড় ইউনিটপ্রতি মূল্য ভারতের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি। আইএমএফ বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকি তুলে দেওয়ার জন্য যে চাপ দিচ্ছে, তা গৃহীত হলে বিদ্যুতের মূল্য যে পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে তাতে বাংলাদেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে যাবে। জনস্বার্থে, বিশেষ করে আমাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার স্বার্থে সব অসম চুক্তি বাতিল করে বিদ্যুতের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার কাজটি অতিজরুরি হয়ে পড়েছে।
বিদ্যুতের দাম ও আদানি নিয়ে যা বলেছেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা
আদানির অসম চুক্তির বিষয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘চুক্তির অসংগতি নিয়ে আদানির সঙ্গে পুনরায় আলোচনা হবে। দুর্নীতি এবং ঘুসের মতো অনিয়ম প্রমাণ হলে অবশ্যই চুক্তি বাতিল হবে। আদালতের নির্দেশে যে তদন্ত চলছে, তার ভিত্তিতেই এটি হবে।
২০২২-২৩ অর্থবছরে আদানির উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১৪ টাকা ২ পয়সা দরে আমদানি করে বাংলাদেশ। ভারতের যে কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে এটাই ছিল সর্বোচ্চ দাম। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিদ্যুতের গড় দাম ছিল ৮ টাকা ৭৭ পয়সা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আদানির বিদ্যুতের দাম ১২ টাকায় নেমে এলেও তা ছিল ভারতের অন্যান্য বেসরকারি উৎপাদনকারীর তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি এবং ভারতীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর তুলনায় ৬৩ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৮ টাকা ৯৫ পয়সা। এ খাতে সরকারকে প্রতি বছর ৩২০ বিলিয়ন টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বলে জানান জ্বালানি উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, দাম বেশি হওয়ায় সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। আমরা চাই বিদ্যুতের দাম শুধু আদানি থেকেই নয়, গড় খুচরা দামের নিচে নামুক।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আদানির বিষয়ে একমাত্র উদার দেশ হলো বাংলাদেশ। আদানির সঙ্গে করা বহুল বিতর্কিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল বা পুনর্মূলায়নের ন্যূনতম উদ্যোগ নেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার। বরং আদানিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর জন্য চিঠি দিয়েছে। আদানির বিতর্কিত এই চুক্তির বিষয়ে কঠোর কোনো অবস্থান নিতে না পারাকে সরকারের নতজানু নীতির প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম।
অধ্যাপক শামসুল আলাম বলেন, দেশের এযাবৎকালের দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলোর মধ্যে আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি ছিল বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক আত্মঘাতীমূলক। চুক্তিটি করা হয়েছিল দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত খায়েশে। চুক্তিটি বাতিল করার পক্ষে অসংখ্য যুক্তি থাকলেও এটি বহাল রাখার পক্ষে একটি যুক্তিও নেই।
তিনি বলেন, সরকার হয়তো তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা করতে আদানি থেকে বিদ্যুৎ আমদানি অব্যাহত রেখেছে। অথচ এর অসংখ্য বিকল্প পদ্ধতি ছিল, সেগুলো অনুসরণ করা হয়নি। আদানির সঙ্গে শেখ হাসিনার করা চুক্তি বহাল রাখার পেছনে রাঘববোয়ালদের কারসাজি রয়েছে বলেও মনে করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের এই বিশেষজ্ঞ।
১১ মাসেও রিপোর্ট তৈরি করতে পারেনি বিচারপতি মইনুল কমিটি
হাইকোর্টের আদেশের আগে আদানি গ্রুপসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সরকার গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করে দেয়। এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন বুয়েটের অধ্যাপক আবদুল হাসিব চৌধুরী, চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট আলী আশফাক, বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধ্যাপক মোশতাক খান। কমিটিকে যে কোনো সূত্র থেকে তথ্যউপাত্ত সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় যে কোনো নথি নিরীক্ষা করা, সংশ্লিষ্ট যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে শুনানিতে তলব এবং বিশেষ আইন (ইনডেমনিটি) আইনের আওতায় করা চুক্তিগুলোয় দেশের স্বার্থরক্ষা হয়েছে কি না, তা নিরীক্ষা করার পূর্ণ এখতিয়ার দেওয়া হয়।
এ কমিটি কার্যক্রম শুরু করার পর প্রায় ১১ মাস পার হয়েছে। এখন পর্যন্ত রিপোর্ট করতে তৈরি হয়নি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যেই দুই দফায় চিঠি দিয়ে রিপোর্ট পেশ করতে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
কমিটির কার্যক্রম ও রিপোর্টের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিগত সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এত পরিমাণ অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে, যা যাচাই-বাছাই চলছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করতে আরো সময় লাগবে। কতদিন সময় লাগতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা কাজ করছি। আরো কিছুদিন সময় লাগবে।





