আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংলাপ শুরু এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ।

\r\n

বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাজধানীর বিজয়নগরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। এ সময় সভাপতি নুরুল হক নুরসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

\r\n

সংলাপ ও নির্বাচনের তফসিল ছাড়াও গণ অধিকার পরিষদের বাকি তিনটি দাবি হলো:  অন্তর্বর্তী সরকার ও তার অধীনস্থ সব দপ্তর থেকে এনসিপি উপদেষ্টা এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের পদত্যাগ। করিডর ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বন্ধ রাখা।  ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময় দেওয়া নিয়োগপত্রে থাকা প্রশাসকদের প্রত্যাহার।

\r\n

লিখিত বক্তব্যে দলটি দাবি করে, অন্তর্বর্তী সরকার ৯ মাস অতিক্রম করলেও এখনো দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং কার্যকর কোনো সংস্কার কর্মসূচিও গ্রহণ করতে পারেনি।

\r\n

গণ অধিকার পরিষদের মতে, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চারটি রোডম্যাপ ঘোষণা করা উচিত ছিল: দুর্নীতি ও ব্যাংক লুটের বিচার, গণহত্যার বিচার, ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র সংস্কার, অবাধ নির্বাচন আয়োজন।

\r\n

কিন্তু এগুলোর কোনোটিই বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না, বরং সরকার লক্ষ্যহীনভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে দলটি।

\r\n

নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে গণ অধিকার পরিষদ মনে করে, প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শে গঠিত কমিশন নিয়ে প্রশ্ন তোলার অর্থ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া। তারা অভিযোগ করে, কেউ কেউ নির্বাচন বানচাল করে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দিবাস্বপ্ন দেখছে।

\r\n

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে তাকে অবিলম্বে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। তা না হলে গণ অধিকার পরিষদ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।