সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণাকে সামনে রেখে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করবে।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল রায় দেবেন। সকাল থেকেই হাইকোর্ট মাজারসংলগ্ন ট্রাইব্যুনাল এলাকায় সেনা সদস্যদের প্রস্তুত অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও শহরের বিভিন্ন মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। ফার্মগেট, বাংলামটর, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ীসহ বেশ কিছু এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি চলছে। মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনও থামিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
ঢাকাসহ চার জেলায় বিজিবি টহল দিচ্ছে। ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে গত রাত থেকেই অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় সেনা মোতায়েনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সেনা সদরে চিঠিও পাঠিয়েছে।
রায়টি সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স। পাশাপাশি ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজে লাইভ দেখানো হবে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ঢাকার কয়েকটি স্থানে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় প্রায় ১,৪০০ মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ এবং আরও প্রায় ২৫,০০০ মানুষকে গুরুতরভাবে আহত করার দায়ে শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। রায় ঘোষণার কার্যক্রম বেলা ১১টার দিকে শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।





