পারস্য উপসাগরের মুখে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধের ইরানি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। একই সঙ্গে তিনি এই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
\r\nবিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত প্রায় এক চতুর্থাংশ তেল ও গ্যাস এই প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পার্লামেন্ট সম্প্রতি হরমুজ প্রণালী বন্ধের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
\r\nএ বিষয়ে মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে বলেন, “আমি বেইজিংয়ের সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি—তারা যেন ইরানকে ফোন করে বোঝায়। কারণ চীন এই প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণে তেল আমদানি করে।”
\r\nতিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “ইরান যদি সত্যিই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে, সেটি হবে তাদের জন্য একটি ভয়ংকর ভুল। এটি একপ্রকার অর্থনৈতিক আত্মহত্যা হবে।”
\r\nবিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধের বাস্তব ক্ষমতা ইরানি পার্লামেন্টের হাতে নেই; এটি মূলত দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর অধীনে। তাছাড়া, ইরান নিজেও এই পথ ব্যবহার করে তেল রপ্তানি করে থাকে, ফলে প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ইরানের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
\r\nবিশ্বব্যাপী বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এই জলপথ বন্ধ হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চরম প্রভাব পড়বে, তেলের দাম বৃদ্ধি পাবে এবং চীন, ভারত ও জাপানের মতো প্রধান জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলো বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে।





