মোঃ জাফর আলী, নাটোর প্রতিনিধি :
অভিমানে স্বামীর বাড়ি ছেড়েছিলেন স্ত্রী। শতবার বুঝিয়েও বাড়ি ফেরাতে পারেননি স্বামী ওমর ফারুক। পরে অভিমানে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন তিনি। ওমর ফারুকের বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার মোহরকয়া গ্রামে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাদ্দামপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বিষপান করেন ওমর ফারুক। সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ লালপুরে আনা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯ বছর আগে বিয়ে হয় ওমর ফারুকের। সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক কলহের জেরে কয়েকদিন আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যান। শুক্রবার সকালে ফারুক তার মা রাশেদাকে সঙ্গে নিয়ে স্ত্রীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যান। তবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরতে রাজি না হওয়ায় দুজনের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে অভিমানে ফারুক অতিরিক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে ফেলেন।
পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে পরিবারের সদস্যরা তাকে যশোরে না নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে তার মৃত্যু হলে মরদেহ নিজ গ্রামে নিয়ে আসা হয়।





