ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যাকাণ্ডে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাদের পরিচয় প্রকাশ করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মাদারীপুর সদরের এরশাদ হাওলাদারের ছেলে ৩০ বছর রয়সী মো. তামিম হাওলাদার , একই এলাকার কালাম সরদারের ছেলে পলাশ সরদার ও ডাসার থানার যতিন্দ্রনাথ মল্লিকের ছেলে সম্রাট মল্লিক। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর রাজাবাজারসহ কয়েকটি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার সকালে শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ।
এবিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কালি মন্দিরের পাশে তিন যুবক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সাম্যর ওপর হামলা করেন। এসময় হামলাকারীরাও আহত হন। তারা একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখান থেকে দুজনকে আটক করে। এ সময় পালিয়ে যান আরেক যুবক। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এর আগে বুধবার সকালে হত্যার ঘটনায় নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
এর আগে রাত ১২টা নাগাদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাইকে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে দুর্বৃত্তরা অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে সাম্যকে। এতে গুরুতরো আঘাতপ্রাপ্ত হন তিনি। পরে সহপাঠীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
ক্যাম্পাস এলাকায় শিক্ষার্থী এমন মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে উপাচার্য বাসভবনের সামনে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদল।
শাহরিয়ার আলম সাম্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল স্যার এ এফ রহমান হল শাখার সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন। থাকতেন হলের ২২২ নাম্বার রুমে। গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়।





