ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, অভ্যুত্থানের প্রধান চাওয়া রাষ্ট্রসংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা করতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সোমবার যে বৈঠক আয়োজন করেছেন তা গুরুত্বপূর্ণ। ওই বৈঠকে সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি, সংস্কারের রোডম্যাপ এবং সংস্কারের কাজে জটিলতা গুলো কী এবং কীভাবে, গুলো সমাধান করা যায় তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করে অস্পষ্টতা দূর করতে হবে।
\r\nরোববার (২ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
\r\nরেজাউল করীম বলেন, “বর্তমান সরকার শুধু একটি নির্বাচনকালীন সরকার নয়। বরং এটি হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গঠিত একটি সরকার, যার মূল দায়িত্ব রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে দেশকে স্বৈরশাসনের কবল থেকে রক্ষা করা।”
\r\nতিনি জানান, সরকার গঠনের প্রায় ১০ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুস্পষ্ট, শক্তিশালী ও দৃশ্যমান সংস্কার জনগণের সামনে আসেনি। এ নিয়ে জনমনে হতাশা তৈরি হয়েছে।
\r\nচরমোনাই পির বলেন, “নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছে, কিন্তু এখনো পর্যন্ত নির্বাচন পদ্ধতি, সংসদীয় আসনের সংখ্যা বা সংসদের কাঠামো নিয়ে কোনও জাতীয় ঐকমত্য হয়নি। এমনকি নির্বাচন কমিশনও গঠিত হয়েছে পুরনো আইন ও ধারার ভিত্তিতে।”
\r\nতিনি আশা প্রকাশ করেন, সোমবারের বৈঠকে রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে একটি সুসংহত রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে এবং চলমান অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তি দূর হবে।





