নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তিনি জাতীয় সংসদে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সংসদে আমরা—স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার—নিরপেক্ষ থাকব। ক্রিকেট খেলার মতো আম্পায়ারের ভূমিকা পালন করব, যাতে সকলেই সমানভাবে বিচার পায়।
তিনি আরও বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি গণতান্ত্রিক সংসদ পেয়েছি। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় বিরোধী দলের ওয়াকআউট নিয়ে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদে ওয়াকআউট একটি প্রচলিত রীতি। তবে তারা মোটামুটি শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিলেন। সংসদে স্লোগান দেওয়াটা ঠিক নয়, কারণ এটি সংসদের রেওয়াজের বাইরে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী পরিস্থিতিতে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন পদত্যাগ করেন এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক হত্যা মামলায় কারাগারে থাকায় সংসদে সভাপতিত্বের জন্য খন্দকার মোশাররফের নাম প্রস্তাব করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জামায়াতসহ সব সংসদ সদস্যের সম্মতিতে খন্দকার মোশাররফ সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
পরবর্তীভাবে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম নতুন স্পিকার হিসেবে প্রস্তাব করেন প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। হুইপ রাকিবুল ইসলাম সমর্থন জানান। অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় কণ্ঠভোটে হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার নির্বাচিত হন।





