শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক মৃত্যুদণ্ডাদেশ সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশে একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তাদের নিজস্ব গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্য দিয়ে এ ধরনের প্রশ্নের সমাধান করতে সক্ষম।
জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং দুইটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়। ১৭ নভেম্বর সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এই রায় প্রদান করে। একই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, আর রাজসাক্ষী হিসেবে থাকা সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে শেখ হাসিনা ও কামালের দেশে থাকা সব সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশও রয়েছে।
অভিযোগগুলোতে বলা হয়, গণভবনের সংবাদ সম্মেলনে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান, হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, রংপুরে ছাত্র আবু সাঈদ হত্যা, চানখাঁরপুলে হত্যাকাণ্ড এবং আশুলিয়ায় হত্যা ও লাশ পোড়ানোর মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এসব অভিযোগের বিচারেই ট্রাইব্যুনাল তাদের রায় ঘোষণা করে।





