বুয়েটের শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি আদায়ে আহুত কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছেন এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ। একইসাথে আলোচনার টেবিলে সমাধানযোগ্য বিষয়কে রাজপথে টেনে না আনার অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ববি হাজ্জাজ বলেন, “দেশের সব শিক্ষার্থীই আমাদের সন্তান। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের যারা গত জুলাই গণঅভ্যুথানে শহীদ হয়েছিলেন আমরা তাঁদের গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি৷ কোটা বৈষম্যের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া জুলাই আন্দোলনের চেতনায় আমরা মেধা এবং যোগ্যতাকে মূল্যায়নের প্রধান হাতিয়ার হিসাবে ধারণ করি৷ তবে দেশগঠনে শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি শ্রম, সততা এবং অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই৷ প্রত্যেক শিক্ষার্থীই বৈষম্যহীনভাবে দেশগঠনে এবং সরকারি চাকুরীতে যাতে সমান সুযোগ পায় আমরা তা নিশ্চিত করতে চাই।”
ববি হাজ্জাজ বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে আরও সংবেদনশীল আচরণ করবে আমরা নতুন বাংলাদেশে এই প্রত্যাশা রাখি৷ বুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর নির্মম আচরণের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। গতকাল রাতে ডিএমপি কমিশনারের দু:খপ্রকাশকে আমরা ইতিবাচক হিসাবে দেখছি৷ আমাদের আহবান থাকবে, জনদূর্ভোগ এড়ানোর জন্য আলোচনায় সমাধানযোগ্য বিষয়কে রাজপথে টেনে না আনতে।”
ববি হাজ্জাজ বলেন, “বুয়েটের শিক্ষার্থীসহ প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীদের দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে সরকার গঠিত কমিটিকে দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রদান করতে হবে৷ দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্র প্রকৃত মূল্যায়ন করবে এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের৷ কোটা কখনো মেধার পথে বাঁধা হতে পারে না৷ তবে শুধু ডিপ্লোমা কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী নয় দেশের যেকোন পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা যাতে অবমূল্যায়নের শিকার হয়ে হীনমন্যতায় না ভোগে সেটা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব।”
ববি হাজ্জাজ বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরবর্তী সরকারের অংশ হতে পারলে আমরা শিক্ষাক্ষেত্রে সকল বৈষম্য দূর করতে বদ্ধপরিকর। ইনশাআল্লাহ আমরা সরকারে আসলে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস আর গবেষণাগারে আলো ছড়াবে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সবপক্ষকে সংযত থাকার আহবান জানাচ্ছি।”





