রাজশাহীতে যুবদল ও ছাত্রদল নেতাসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছেন এক ডেভেলপার ব্যবসায়ী। বুধবার (২৪ জুলাই) রাতে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন মুস্তাফিজুর রহমান নামের ওই ব্যবসায়ী।


মামলায় ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোজাদ্দেদ জামানী সুমনকে প্রধান এবং রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লিমনকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে।


এজাহারে বলা হয়, আসামিরা বিভিন্ন সময় ব্যবসায়ী মুস্তাফিজুরের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা না দেওয়ায় তার নির্মাণকাজে বাধা, বাড়ি দখলের চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক লিমন। তিনি দাবি করেন, “মোস্তাফিজুরের কাছে ২৭ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে আমিনুল ইসলাম নামের একজনের, যিনি সুমন ভাইয়ের আত্মীয়। টাকা না দেওয়ায় ওসির উপস্থিতিতে থানায় বসে সমঝোতা হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, টাকা দিতে না পারলে একটি ফ্ল্যাট দিতে হবে সুমন ভাইকে। এখন আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে।”


এ বিষয়ে যুবদল নেতা মোজাদ্দেদ জামানী সুমন বলেন, “মোস্তাফিজুর একজন স্বৈরাচারপন্থী। বিএনপি নেতাদের লক্ষ্য করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করেছেন। আমরা শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টির বিস্তারিত তুলে ধরব।”


বোয়ালিয়া থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহাদত হোসেন বলেন, “মামলার দিন আমি বাইরে ছিলাম, ফিরে এসে শুধু এজাহার পড়েছি। তবে আমি এখন পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণে যাচ্ছি। প্রশিক্ষণ শেষে তদন্ত শুরু করব।”