যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় সিরিয়া সহ মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার পাঁচটি দেশ নতুন করে যুক্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তালিকায় ফিলিস্তিনকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে এই দেশ ও ভূখণ্ডের নাগরিকরা এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
হোয়াইট হাউস মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দেশগুলো ভ্রমণ নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ মূলত অভিবাসনের ওপর কঠোর অবস্থানকে আরও জোরদার করার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
ফিলিস্তিন ছাড়াও নতুনভাবে যুক্ত পাঁচটি দেশ হলো—সিরিয়া, বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার ও দক্ষিণ সুদান। এর আগে চলতি বছরের জুনে ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সেসব দেশ হলো—ইরান, আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন।
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে এখনও স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। তাই তালিকায় সরাসরি ‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্র’ উল্লেখ করা হয়নি। প্রশাসন ‘অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড’ বলতেও অনিচ্ছুক। নথিতে ফিলিস্তিনিদের ‘পিএ বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত ভ্রমণ নথি নিয়ে ভ্রমণের চেষ্টা করা ব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে গুলি করা হয়, যার একজন পরে মারা যান। এর পর ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসনের ওপর আরও কঠোর অবস্থান নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে অভিবাসনের ওপর স্থায়ী স্থগিতাদেশের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতাও সম্প্রসারিত করা হলো।
মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট রাশিদা তায়েব এই উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি ট্রাম্প ও তার শীর্ষ সহযোগী স্টিফেন মিলারকে দেশের জনমত পরিবর্তনের চেষ্টা চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।





