ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে এনে ফৌজদারি মামলায় বিচার করা হবে। শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার পর এ তথ্য জানান রিপাবলিকান সিনেটর মাইক লি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।
সিনেটর লি বলেন, মাদুরো আটক হওয়ায় ভেনেজুয়েলায় এখন আর বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, রুবিওর মতে এই গ্রেপ্তারের পর নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপের দরকার নেই।
তবে অভিযানের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিনেটর লি। তাঁর ভাষ্য, গ্রেপ্তার কার্যকর করতে সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হলেও যুদ্ধ ঘোষণা বা কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়াই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
মার্কিন সংবিধানের ২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট তাঁর কর্মীদের সুরক্ষায় সীমিত শক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা রাখেন। সিনেটর লির ধারণা, সেই ক্ষমতার আওতাতেই অভিযানটি চালানো হয়েছে।
মার্কো রুবিও দীর্ঘদিন ধরেই মাদুরো সরকারের সমালোচক। তাঁর মতে, এই গ্রেপ্তার শুধু ভেনেজুয়েলার নয়, পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মাদুরোর বিরুদ্ধে ২০২০ সালে দায়ের করা মাদক সন্ত্রাস সংক্রান্ত মামলার ভিত্তিতেই বিচার শুরু হচ্ছে।
এদিকে কারাকাসে সাম্প্রতিক হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা থমথমে। নতুন কোনো হামলার খবর না মিললেও, মাদুরো আটক হওয়ার পর দেশটির অন্তর্বর্তী শাসন কে পরিচালনা করবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে।





