রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাকসু নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার শঙ্কা দেখা দিলেও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়েই ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার পোষ্যকোটা ভিত্তিক ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনার প্রতিবাদে রোববার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী। রাকসুর নির্বাচনের মাত্র চারদিন আগে এ কর্মসূচি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হলেও নির্বাচন কমিশন আশ্বস্ত করেছে, এতে ভোটের কোনো প্রভাব পড়বে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স সমিতির সভাপতি মুক্তার হোসেন বলেন, “আমাদের আন্দোলন রাকসুর ওপর প্রভাব ফেলবে না। আমরা রাকসুকে কর্মসূচির বাইরে রেখেছি। আমাদের দাবি, যারা ছাত্র পরিচয়ে উপ-উপাচার্যকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে হবে।”

প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. সেতাউর রহমান জানান, “গতকালের ঘটনায় আমাদের নির্বাচনি কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি। সব কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলছে। উপাচার্য মহোদয়ও নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন আয়োজন অব্যাহত রাখতে। ২৫ তারিখেই ভোট অনুষ্ঠিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটির প্রতিবাদে আজ কর্মসূচি দেওয়া হলেও সব জরুরি সেবা এই আন্দোলনের বাইরে রাখা হয়েছে। “রাকসু নির্বাচন যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, তাই এটি জরুরি সেবার আওতাতেই রাখা হয়েছে,” যোগ করেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা।