মেট্রোরেল লাইন–৬ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনীসহ ১৫ হাজার ৩৮৩ কোটি ৫১ লাখ টাকার ১৮টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৪৫১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ ৫ হাজার ৬০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল ৩৭৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
রবিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। পরিকল্পনা সচিব এসএম শাকিল আকতারসহ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে আছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন, মানসম্পন্ন আলু বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ, কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ, গ্যাসের তিনটি অনুসন্ধান কূপ খনন এবং ঢাকার মিরপুরে জুলাই শহীদ পরিবারের জন্য ১ হাজার ৫৬০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ।
এ ছাড়া জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের জমিতে ৩৬ জুলাই আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ, সচিবালয়, পরিবহন পুল, মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট ও সচিব নিবাসের অগ্নিনিরাপত্তা জোরদারকরণ এবং সিরাজগঞ্জ–রায়গঞ্জ মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প।
আরও রয়েছে নারায়ণগঞ্জ গ্রিন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট, অটিজম ও এনডিডি সেবা সম্প্রসারণ, জাপান হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট স্কলারশিপ, ডিজিটাল উদ্যোক্তা ইকো সিস্টেম উন্নয়ন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ও গবেষণা ভবন উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবা প্রকল্প, এসেনশিয়াল অ্যান্ড বায়োটেক রিসার্চ সেন্টার স্থাপন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কমিউনিটি ক্লিনিক উন্নয়ন এবং সোনাগাজী ২২০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প।
\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n
পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানিয়েছেন, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও একনেক ও মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে। তবে সচিবালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ এবং স্বাস্থ্য খাতের একটি প্রকল্প অনুমোদন স্থগিত রাখা হয়েছে। এগুলো পর্যালোচনার জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতি কমেনি বলে নানা অভিযোগ থাকলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে ঠিকাদারি দুর্নীতির সুযোগ এখন অনেক কম।





