মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসির শাহাদাতবার্ষিকীতে স্মরণ করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
\r\nমঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন,“মুসলিম বিশ্বের সম্মানিত নেতা ড. শহীদ মুরসী রাহিমাহুল্লাহ এর আজ শাহাদাত বার্ষিকী। মহান রাব্বুল ইজ্জত প্রিয় নেতাকে মর্যাদাবান শহীদ হিসেবে কবুল করুন।
তার প্রতি ফোঁটা রক্তের বিনিময়ে মহান আল্লাহর দ্বীন বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ুক। আল্লাহর নিষ্ঠাবান গোলামরা তার এ শাহাদাত থেকে অনুপ্রাণিত হবে, এটিই প্রত্যাশা।”
\r\nড. মোহাম্মদ মুরসি ছিলেন ইসলামপন্থী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুড (ইখওয়ানুল মুসলিমিন)–এর অন্যতম শীর্ষ নেতা। পরে ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি (FJP) গঠন করে ২০১২ সালে তিনি মিশরের প্রথম বেসামরিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। তবে মাত্র এক বছর পর, ২০১৩ সালে সেনা অভ্যুত্থানে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
\r\nপরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি, সন্ত্রাসবাদ ও কারাগার থেকে পালানোসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয় এবং মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
\r\n২০১৯ সালের ১৭ জুন, আদালতে হাজিরা দেয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান মুরসি। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬৭ বছর।
\r\nপরিবার ও আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, মুরসিকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না দিয়ে ‘নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অবমাননাকর’ আচরণ করা হয়েছিল। তারা বলেন, এ অবস্থা আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী ‘নির্যাতনের সর্বোচ্চ মাত্রা’ ছুঁয়ে ফেলেছে।
\r\nতার মৃত্যুর পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান মিশরের কঠোর সমালোচনা করে বলেন,
\r\n\r\n\r\n“পশ্চিমারা মৃত্যুদণ্ডের বিপক্ষে কথা বললেও মিশরের মতো দেশে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনাগুলো নীরব দর্শকের মতো দেখছে। এটাই তাদের দ্বিমুখী মানসিকতা।”
\r\n





