ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুন পটুয়াখালী-৩ আসন (গলাচিপা-দশমিনা) থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, যদিও তাকে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ দেওয়া হয়নি। তিনি বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। হাসান মামুন ফেসবুকের মাধ্যমে গলাচিপা-দশমিনায় দলের নেতাকর্মীদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিএনপি এ পর্যন্ত ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। যে ৬৩টি আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা হয়নি, তার মধ্যে পটুয়াখালী-৩ আসনও রয়েছে। এই আসনে নাগরিক অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন, তবে স্থানীয় বিএনপি হাসান মামুনকেই প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায়। তারা বলছেন, ৪৬ বছর ধরে আসনটি বিএনপির কাছে ছিল না, এবার কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। হাসান আল মামুন বলেছেন, তিনি এখনও মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী। তিনি বিশ্বাস করেন, বিএনপি তার দীর্ঘ ত্যাগ এবং হামলা-মামলার ইতিহাস বিবেচনা করে তাকে প্রার্থী হিসেবে দেবে। তবে যদি দল প্রার্থী না দেয়, তখনও সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণে তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি আরও বলেন, গলাচিপা-দশমিনার মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নানা নিপীড়ন ও হামলার শিকার হয়েছেন। জীবন বাজি রেখে তিনি তাদের পাশে ছিলেন এবং তার ত্যাগ ও দলের প্রতি আনুগত্য হাইকমান্ড জানে। ৪৬ বছর পর আসনটি ধানের শীষে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে, এবং এই অঞ্চলের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিতে প্রস্তুত। দশমিনা-গলাচিপা আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ২৬১ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৫৪ ও নারী ভোটার ১ লাখ ৭৫ হাজার ১০৫ জন। এছাড়া দুইজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারও রয়েছেন। এ সময়ে জামায়াতে ইসলামী অধ্যাপক মুহাম্মদ শাহ-আলমকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, এবং ইসলামী আন্দোলন হাফেজ মাওলানা মুফতী আবু বকর সিদ্দীককে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে।
সংবাদ লোড হচ্ছে...





