ভোলায় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর লালমোহন উপজেলার রায়চাঁদ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। ঘটনার পর বিএনপি ও বিডিপি পৃথক প্রেস ব্রিফিং করে হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে।

জামায়াত সমর্থিত বিডিপির সংসদ সদস্য প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম জানান, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে গণভোট ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জামায়াতের নারী কর্মীরা ইউনুছ পাটওয়ারীর বাড়িতে যান। এ সময় স্থানীয় নুরনবীর ছেলে রুবেল (২৮) তাদের গালাগালি ও হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নাঈমের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার বিষয়টি এক নারী কর্মী তার স্বামী জসিম উদ্দিনকে জানান। পরে জসিম উদ্দিন মোবাইল ফোনে রুবেলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকেও গালাগালি করা হয়। একপর্যায়ে রুবেল জসিম উদ্দিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তার ওপর হামলা চালান। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলেও এর মধ্যেই বিএনপির আরও কয়েকজন নেতাকর্মী বাজার এলাকায় জড়ো হতে থাকেন।

নিজামুল হক নাঈম অভিযোগ করেন, ঘটনার পর লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হানিফ হাওলাদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলেন।

তিনি দাবি করেন, নিজেদের নেতাকর্মীদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বলা হলেও বাজার ছাড়ার সময় পেছন থেকে হামলা চালানো হয়। এতে বিডিপির অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। আহতদের লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিডিপির এই সংসদ সদস্য প্রার্থী।