ChatGPT said:

ভারতের উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুর এলাকায় মাটিচাপা অবস্থায় ২০ দিনের এক কন্যাশিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি স্থানীয় সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) চিকিৎসাধীন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে

\r\n

কাঁদতে কাঁদতে জানাল জীবনের অস্তিত্ব

\r\n

স্থানীয় এক রাখাল ছাগল চরানোর সময় হঠাৎ মাটির নিচ থেকে কান্নার শব্দ শুনতে পান। তিনি কাছে গিয়ে একটি ছোট্ট হাত মাটির বাইরে বেরিয়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত স্থানীয়দের খবর দিলে, পরে পুলিশ এসে মাটি খুঁড়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়

\r\n

ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর)। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ, এখনও শিশুটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। শিশুসংরক্ষণ সংস্থাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।

\r\n

শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন

\r\n

মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. রাজেশ কুমার জানিয়েছেন,

\r\n
\r\n

“শিশুটিকে যখন আনা হয়, তখন তার শরীরে কাদা লেগে ছিল এবং মুখ-নাকে কাদা ঢুকে যাওয়ায় সে ঠিকভাবে শ্বাস নিতে পারছিল না। শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ছিল এবং কীটপতঙ্গ ও প্রাণীর কামড়ের চিহ্নও ছিল।”

\r\n
\r\n

তিনি আরও বলেন,

\r\n
\r\n

“প্রথম ২৪ ঘণ্টা কিছুটা উন্নতি হলেও পরে শিশুটি আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসক দল সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে, এমনকি একজন প্লাস্টিক সার্জনও চিকিৎসা দলে রয়েছেন।”

\r\n
\r\n

তবে আশার বিষয় হলো, মাটিচাপা দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন। কারণ শরীরের আঘাতের চিহ্নগুলো তাজা ছিল।

\r\n

এর আগেও ঘটেছে এমন ঘটনা

\r\n

ভারতে নারী শিশুদের ওপর সহিংসতা ও বৈষম্যের ঘটনা নতুন নয়। ২০১৯ সালে একই রাজ্যে এক নবজাতককে মাটির পাত্রে জীবিত অবস্থায় পুঁতে রাখার ঘটনা সামনে আসে। পরে সে শিশু চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠে।

\r\n

পেছনে লুকিয়ে সামাজিক বৈষম্য?

\r\n

বিশ্বে নারী-পুরুষ বৈষম্যে শীর্ষে থাকা দেশগুলোর একটি ভারত। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারগুলোতে নারী শিশুকে আর্থিক বোঝা হিসেবে দেখা হয়, যার ফলে কন্যাশিশুর জন্মের পর অনেক সময় এ ধরনের ভয়ঙ্কর ঘটনার শিকার হতে হয়।