পাকিস্তানে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি বলেন, ভারত যে আগ্রাসন চালিয়েছে, তা ‘যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার শামিল’, এবং এর পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার পাকিস্তানের রয়েছে। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

\r\n

বুধবার (৭ মে) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে শেহবাজ শরিফ জানান, শত্রুপক্ষ উসকানিমূলক আচরণের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের পাঁচটি স্থানে হামলা চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিকে ‘স্পষ্ট যুদ্ধ ঘোষণার কার্যক্রম’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

\r\n

এদিকে, হামলার ঘটনায় উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ অসিম মালিকের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। জিও নিউজ-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ফোনালাপে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

\r\n

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী জানিয়েছেন, মঙ্গলবার মধ্যরাতে কোটলি, ভাওয়ালপুর, মুরিদকে, বাগ এবং মুজাফ্ফরবাদে ভারতের চালানো হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে দুই শিশু। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৫ জন।

\r\n

আইএসপিআর দাবি করেছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানান, পাকিস্তান বিমানবাহিনী ভারতের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি রাফায়েল, একটি এসইউ-৩০ এবং একটি মিগ-২৯।

\r\n

পাকিস্তানের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ভারতীয় আগ্রাসনের জবাবে শক্তিশালী ও সুনির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত রয়েছে।

\r\n

এদিকে ভারত সরকার জানিয়েছে, তারা ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামের একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এ অভিযানের আওতায় পাকিস্তান ও পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নয়টি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, পাকিস্তানের কোনো সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।