স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নির্বাচনি কার্যক্রমে একাত্মতা ঘোষণা করো এবার যোগ দিলেন পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত কেন্দ্রীয় ইসলামি ঐক্যজোটের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আলতাফ হোসাইন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকালে মেঘনা উপজেলার সাতানি গ্রামে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের একটি নির্বাচনি প্রচারণায় তার কনিষ্ঠ পুত্র বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে যোগদান করেন।
জানা যায়,
১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর ট্রাজেডির বিষয়ে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সঙ্গে হেফাজত নেতাদের সঙ্গে আপোষ করে সম্পর্ক গড়াতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন এই ইসলামি ঐক্যজোট নেতা। সেই থেকে শেখ হাসিনার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়েন আলেম সমাজের ধূর্ত এ নেতা। এই সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে সরকারি বিভিন্ন মহলে তদবির বাণিজ্য ও শেখ হাসিনার সকল অবৈধ নির্বাচনকে বৈধতা দিতে কাজ করে মাওলানা আলতাফ হোসাইন। এবংকি এই সুবাদে তিনি হয়েছেন বিপুল অর্থ সম্পদের মালিকও।
মাওলানা আলতাফ হোসাইনের বিএনপির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বিএনপির পক্ষে নির্বাচনি কার্যক্রম করার আশা ব্যক্ত করেন। তবে তার বিএনপির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করারয় এলাকায় ব্যাপক নেতিবাচক সমালোচনা হচ্ছে।
তার ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক নিজস্ব আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন, এতে নেটিজবরা খুব ক্ষুব্ধ হয়েছেন। মোল্লা ওমর নামের একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছে,\" বিশ্ব বাটপার\"।
এছাড়াও এই ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।
তার ফেসবুক পোস্টেও নেটিজনরা অনেকেই নেতিবাচক সমালোচনা করেছেন, শাহীন আহমেদ নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, \"
সে আওয়ামী লীগের সময় ও আওয়ামী লীগের সমর্থনে কাজ করেছে।\"
ইসলামি ঐক্যজোটের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আলতাফ হোসাইনের কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,\" আমি বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ কাজ করার জন্য একাত্মতা ঘোষণা করেছি। আর শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না।\"





