বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেম এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি সেলিম ভূঁইয়ার আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেসবাহ নিশ্চিত করেছেন।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২০ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ রমনা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছিল, সেলিম ভূঁইয়া দুদকে যে সম্পদ বিবরণী জমা দেন, তাতে এক কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩২ টাকার সম্পদ গোপন করা হয়। পরে দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে মোট ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪১৩ টাকার সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এর মধ্যে এক কোটি ৩১ লাখ ৮৮৩ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস দেখাতে ব্যর্থ হন সেলিম ভূঁইয়া। যা তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপর ২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ১০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।





