বান্দরবান প্রতিনিধি:বান্দরবানে কিশোর গ্যাং কার্যক্রম দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, রাত ১০টার পর কোনো কিশোরকে অকারণে রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলে তাদের আইনি বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

সোমবার রাত ১১টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার থানচি বাসস্টেশন এলাকায় বান্দরবান জেলা পুলিশের উদ্যোগে পরিচালিত সচেতনতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান বলেন, “কিশোর গ্যাং বলতে যে অর্থে বোঝানো হয়, বান্দরবানে সেই অর্থে সব কিশোরকে বোঝানো হচ্ছে না। অনেকেই আসলে অবুঝ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিকভাবে সচেতন নয়। এই বয়সটাই নিজেদের গড়ে তোলার সময়। এখন যদি লেখাপড়ার সময় নষ্ট হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় অটোপাসের সুযোগ ভবিষ্যতে আর থাকবে না। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা করেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তাই অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় পুলিশের পক্ষ থেকে কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ, রাতের বেলায় অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার বিষয়ে উপস্থিত কিশোর ও অভিভাবকদের সচেতন করা হয়।
জেলা পুলিশের এই উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দারাও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ কিশোর অপরাধ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবানে কিশোর গ্যাং কার্যক্রম দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, রাত ১০টার পর কোনো কিশোরকে অকারণে রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলে তাদের আইনি বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
সোমবার রাত ১১টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার থানচি বাসস্টেশন এলাকায় বান্দরবান জেলা পুলিশের উদ্যোগে পরিচালিত সচেতনতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান বলেন, “কিশোর গ্যাং বলতে যে অর্থে বোঝানো হয়, বান্দরবানে সেই অর্থে সব কিশোরকে বোঝানো হচ্ছে না। অনেকেই আসলে অবুঝ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিকভাবে সচেতন নয়। এই বয়সটাই নিজেদের গড়ে তোলার সময়। এখন যদি লেখাপড়ার সময় নষ্ট হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় অটোপাসের সুযোগ ভবিষ্যতে আর থাকবে না। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা করেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তাই অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় পুলিশের পক্ষ থেকে কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ, রাতের বেলায় অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার বিষয়ে উপস্থিত কিশোর ও অভিভাবকদের সচেতন করা হয়।
জেলা পুলিশের এই উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দারাও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ কিশোর অপরাধ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।