বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেছেন, ওআইসির সদস্য ও মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আগ্রাসনের সরাসরি নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাবে—এমন প্রত্যাশাই তেহরানের।


বুধবার দুপুরে গুলশানে ইরান দূতাবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।


ঢাকার সাম্প্রতিক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না থাকার প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, এখন পর্যন্ত ৮০০ জন শাহাদাত বরণ করেছেন। তার দাবি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জনগণের পাশে ছিলেন এবং দেশ ছাড়েননি। ইরান দীর্ঘমেয়াদে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


চীনের সঙ্গে কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি না থাকায় তারা সরাসরি সামরিকভাবে পাশে দাঁড়াতে পারছে না বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত।


এ সময় তিনি জানান, ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


জলিল রহিমি জাহনাবাদি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শান্তির পথে না আসা পর্যন্ত ইরান সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশে অবস্থানরত আমেরিকানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, তার কন্যা, জামাতা ও নাতি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।


পরে ১ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে প্রতিক্রিয়া জানায়। ওই বিবৃতিতে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনায় সাতটি দেশের নাম উল্লেখ করা হলেও তালিকায় ইরানের নাম ছিল না।