সংবাদ লোড হচ্ছে...
সংবাদ লোড হচ্ছে...
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, প্রার্থীদের নিরাপত্তা ও অস্ত্র ব্যবস্থার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ইসির কোনো পূর্ব আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, “মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যে নির্দেশনা বা অস্ত্র ব্যবস্থার কথা বলেছেন, তা সম্ভবত নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনা করেই বলা হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রেক্ষাপট দিতে পারবেন তিনি।”
ওই নির্দেশনার সঙ্গে নির্বাচনি আচরণবিধির কোনো সংঘাত আপাতত দেখা যাচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে পরিস্থিতির প্রয়োজনে কমিশন কোনো সময় কঠোর অবস্থান নিতে পারে এবং প্রয়োজন হলে আচরণবিধিতে সংশোধন, সংযোজন বা পরিবর্তন আনা হবে।
আখতার আহমেদ আরও বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবার জন্যই কাম্য। ভোটার বা অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হওয়া উচিত নয়। আমরা চাই নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করুক।”
নির্বাচনের আগে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে তিনি বলেন, “এটি একটি নিয়মিত ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। বৈধ অস্ত্র সংগ্রহ বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সাধারণত ভোটগ্রহণের নির্দিষ্ট সময়ের আগে করা হয়। প্রাসঙ্গিক সময়ে কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।”
তিনি ভোট পরিস্থিতি নিয়ে আগাম মন্তব্য না করতে এবং বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা বর্তমানে যে পর্যায়ে আছি, সেটি নিয়েই কাজ করছি। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।”
\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n
এছাড়া আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে ১৭৫-২০০ জন পর্যবেক্ষক আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভার্স ইজাবসকে প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষণ চলাকালে কিছু এলাকায় স্থানীয় প্রোটোকল মেনে চলার প্রয়োজন হবে। এছাড়া পর্যবেক্ষকরা যে ইকুইপমেন্ট নিয়ে আসবেন, সেগুলোর ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম মানতে হবে।