সরকার নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীতে প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের নারী প্রধান পরিবারগুলোর জন্য এই কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।
পাইলটিং পর্যায়ে ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৬৭,৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হয়েছে। পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, শিক্ষা, সদস্য সংখ্যা, বাসস্থান, গৃহস্থালি সামগ্রী, রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি বিবেচনা করে প্রক্সি মিনস টেস্ট ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চ বিত্ত শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
শেষ পর্যায়ে ৩৭,৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে মাসিক ২,৫০০ টাকা ভাতা দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভাতা সরাসরি জি-টু-পি (Government to Person) পদ্ধতিতে উপকারভোগীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক একাউন্টে প্রদান হবে।
প্রতিটি পরিবারের জন্য আধুনিক স্পর্শবিহীন ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, যার মধ্যে থাকবে চিপ, QR কোড ও NFC প্রযুক্তি। এক পরিবারের জন্য সাধারণত ১টি কার্ড দেওয়া হবে; ৫ জনের বেশি সদস্য থাকলে অনুপাতে একাধিক কার্ড প্রদান করা হবে। বিদ্যমান সরকারি ভাতা বা চাকরির ক্ষেত্রে পরিবারের নারী গৃহপ্রধান কার্ডের ভাতা পাবেন না।
ভাতা প্রদান ও কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনও স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি বা হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই, কারণ সব তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে।
পাইলটিং পর্যায়ে ৩৮.০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার ৬৬% সরাসরি নগদ সহায়তা এবং ৩৪% তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম ও কার্ড প্রস্তুতির জন্য ব্যয় করা হবে। ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন গাইডলাইন ২০২৬ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।





