মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে গ্রেপ্তার করেছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তবে একই মামলায় গ্রেপ্তারের সময় রহস্যজনকভাবে পালিয়ে গেছেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির কর্মকর্তা ডিআইজি এহসানুল্লাহ। বিষয়টি তদন্তে নেমেছে পুলিশ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) উচ্চপর্যায়।

পুলিশ ও আইসিটি সূত্র জানায়, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আলোচিত র‍্যাব কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিনের সহযোগী সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউর রহমানকে বুধবার দুপুরে রাজধানীর সিআইডি ঢাকা মেট্রো অফিস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া উত্তরা গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক এডিসি সালাউদ্দিনকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

অন্যদিকে, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার ও বর্তমানে সারদা পুলিশ একাডেমিতে ডিআইজি পদে কর্মরত এহসানুল্লাহকে গ্রেপ্তারে বুধবার ভোরে একাডেমিতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু অভিযানের সময় তিনি রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যান বলে জানায় সূত্র।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, একাডেমির ভেতরের কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন। এ বিষয়ে জানতে একাডেমির প্রিন্সিপালকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেননি।

আইসিটির প্রতিনিধি দল ভোর ৬টার দিকে জেলা পুলিশের সহায়তায় সারদা পুলিশ একাডেমিতে পৌঁছায়। তবে নিরাপত্তাকর্মীরা দলটিকে একাডেমিতে প্রবেশে বিলম্ব ঘটায়। এই সময়ই ডিআইজি এহসানুল্লাহ বিষয়টি টের পেয়ে পালিয়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনাটি দিনভর রাজশাহীতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।