পাবনার ঈশ্বরদীতে চাঁদার টাকা না পেয়ে এক কৃষকের প্রায় ৫ লাখ টাকার গাজর লুটের অভিযোগে যুবদলের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের কৃষক মো. শরিফুল ইসলাম লিজ নেওয়া জমিতে গাজর চাষ করেন। পাকশী ইউনিয়নের বেলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ও পেপার মিলস কলোনি এলাকার দুটি জমিতে তিনি গাজর আবাদ করেছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা কৃষক শরিফুলের কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। ভয়ে তিনি প্রথমে ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরে বাকি টাকা না দেওয়ায় তাকে হুমকি ও চাপ প্রয়োগ করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বেলতলা এলাকার দেড় বিঘা জমি থেকে প্রায় ৩০০ মণ গাজর লুট করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে পেপার মিলস কলোনি এলাকার ২ বিঘা জমি থেকে আরও প্রায় ৩৫০ মণ গাজর লুট করা হয়, যার মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় গত শুক্রবার কৃষক শরিফুল ইসলাম দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর রোববার বিকেলে ঈশ্বরদী ইপিজেড গেট এলাকা থেকে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে পাবনা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষক জানান, ঋণ নিয়ে তিনি গাজর চাষ করেছিলেন। লুটের কারণে তার বড় আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং তিনি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ওসি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





