বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, \"জাতির আত্মপরিচয়ে পহেলা বৈশাখ এক উজ্জ্বল উপাদান।\" বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে রোববার (১৩ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
\r\nতারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশি জাতিসত্তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নববর্ষ উদযাপন। বাংলা নববর্ষের আনন্দ এবং তার বহুমাত্রিক রূপ বাংলাদেশিদের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। এই উৎসবমুখর দিনে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”
\r\nতিনি আরও বলেন, “আবহমানকাল ধরে পহেলা বৈশাখ নানা রূপ ও বৈচিত্র্য নিয়ে জাতির জীবনে ফিরে আসে। নববর্ষের উৎসব যেন প্রকৃতি ও প্রাণের মিলনমেলা, যা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় জাতির অতীত গৌরব ও ঐশ্বর্য। আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মনুষ্যত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে একটি সুসংগঠিত জাতি।”
\r\nনববর্ষে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “পহেলা বৈশাখ প্রতিবছরই আমাদের অতীতের আলোয় ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়। এখন প্রয়োজন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য উদার সংস্কৃতি ও বহুমতের ভিত্তিতে স্থায়ী গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলা।”
\r\nআন্তর্জাতিক অস্থিরতা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “১৪৩১ সাল নানা ঘটনা ও দুর্ঘটনার সাক্ষী ছিল। ১৪৩২ সালের প্রভাতে দাঁড়িয়ে আমরা নতুন শান্তির প্রত্যাশায় আছি। তবে শান্তি কেবল প্রত্যাশা করলেই হবে না, তার জন্য প্রয়োজন নিঃস্বার্থ সমাধান—যা রক্তপাত বন্ধ করে সত্যিকারের শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে।”
\r\nবাংলা সনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “বাংলা তারিখ আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। এটি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির ভিত্তি, মননের পরিচর্যার উৎস। অথচ বিদেশি সাংস্কৃতিক আধিপত্য এ বন্ধন ভাঙতে চায়। আমাদের তাই সজাগ থাকতে হবে, সচেতন থাকতে হবে।”
\r\nশুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, “নববর্ষের প্রথম দিনে আমি সকলের কল্যাণ ও শান্তি কামনা করি। বৈশাখের তাপে সমাজ থেকে মুছে যাক অসত্য, অন্যায়, অনাচার ও অশান্তি। ছড়িয়ে পড়ুক শান্তির সুবাতাস। বাংলা ১৪৩২ সনের নতুন প্রভাতে দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”





