ChatGPT said:
দেশের পর্যটন খাতে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৩ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে তিনজন সাংবাদিকও রয়েছেন। এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন মেলা, ১৩তম বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৫ থেকে।
রাজধানীর বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স সেন্টারে (বিসিএফসিসি) বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই মেলার উদ্বোধন হয়। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন করেছে দেশের পর্যটন শিল্পের শীর্ষ সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক কালের কণ্ঠের বিজনেস এডিটর মাসুদ রুমী, এশিয়ান টিভির চিফ নিউজ এডিটর ও এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) সাধারণ সম্পাদক বাতেন বিপ্লব, এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার ও এটিজেএফবি–এর যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল্লাহ সুমন। এ ছাড়া প্রেস্টিজিয়াস ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছেন শুভাশীষ ভৌমিক।
বিভিন্ন ব্লগার ক্যাটাগরিতেও পুরস্কার দেওয়া হয়। স্টোরিটেলিং ট্রাভেল ব্লগার হিসেবে আরকে সোহান, উইমেন ট্রাভেল ব্লগার হিসেবে জান্নাত দ্য লুনাটিক ট্রাভেলার, কাপল ও ফ্যামিলি ট্রাভেল ব্লগার হিসেবে পেটুক কাপল এবং রাইজিং ট্রাভেল ব্লগার হিসেবে জাস্ট এ মিনিট পুরস্কৃত হয়েছেন।
ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন হৃদয়, দ্বিতীয় হয়েছেন বিপুল আহমেদ এবং তৃতীয় তন্ময় দাস। ভিডিও প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শাহরিয়ার হোসেন শিজু, আর গল্প লেখা প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছেন সাজিব মাহমুদ।
এবারের মেলায় দেশি–বিদেশি ১২০টির বেশি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে, যারা প্রায় ২২০টি স্টল ও ২০টি প্যাভিলিয়নে তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছে জাতীয় পর্যটন সংস্থা, বিভিন্ন এয়ারলাইনস, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ট্রাভেল এজেন্সি, ব্যাংক, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য পর্যটন–সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।
বিদেশি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পাকিস্তান, নেপাল ও ভূটানের জাতীয় পর্যটন সংস্থা ও ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। এছাড়া পাকিস্তান, নেপাল, ভূটান, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চীন, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, তুরস্ক এবং স্বাগতিক বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্টরাও অংশ নিচ্ছে।
মেলায় আগত দর্শনার্থীদের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেবা ও পণ্যের ওপর বিশেষ ছাড় দিচ্ছে। এই ছাড়ে দেশি–বিদেশি গন্তব্যে এয়ার টিকিট, তারকা হোটেলে রুম বুকিং ও ভ্রমণ প্যাকেজ অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছে নানা সাইড ইভেন্ট—যেমন বিটুবি সেশন, সেমিনার, পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান ও কান্ট্রি প্রেজেন্টেশন। প্রতিদিন থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী।
মেলায় প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৫০ টাকা রাখা হয়েছে। তবে ছাত্রছাত্রী, মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই যোদ্ধাদের জন্য প্রবেশ একেবারেই উন্মুক্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।





